মেকআপ কি আপনার একনি লুকাতে পারছে না ?
মেকআপ মানেই নিজেকে একটু বেশি প্রেজেন্টেবল আর কনফিডেন্ট করে তোলা। আমরা সবাই চাই আমাদের মেকআপ হবে একদম Skin-like এবং Effortless। কিন্তু যখনই মুখে একনি বা পিম্পল হয়, তখন সেই Natural Look যেনো হারিয়ে যায়। আমরা অনেক সময় ফাউন্ডেশন বা কনসিলার দিয়ে সেটা লুকানোর করার চেষ্টা করি কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় মেকআপ ফেটে পিম্পলটা আরও বেশি প্রমিনেন্ট হয়ে উঠে। যাদের Acne-prone skin বা Oily skin, তাদের এই Beauty Struggle এখন খুবই কমন। কিন্তু এই মডার্ন স্কিনকেয়ারের যুগে ব্রণ নিয়ে প্যানিক করার দিন শেষ। এই প্রবলেমের আল্টিমেট সলিউশন হিসেবে এখন আছে Wellessia Acno Patch।
মেকআপের পর পিম্পল কেন বাজে দেখায় ?
পিম্পল মানেই হলো স্কিনে একটা বাম্প। অনেকেই মনে করেন মেকআপ দিয়ে সব ঢেকে ফেলা যায়। কিন্তু রিয়েলিটি একটু আলাদা। ব্রণের ওপর সরাসরি লেয়ারের পর লেয়ার প্রোডাক্ট ইউজ করলে কিছু কমন সমস্যা ফেস করতে হয়। কনসিলার দিয়ে রেডনেস ঢাকা গেলেও পিম্পলের উঁচু ভাব বা টেক্সচার ঢাকা যায় না। অনেক সময় মেকআপ পোরসের ভেতর ঢুকে পিম্পলকে আরও ইনফেক্টেড করে ফেলে। ফলে ব্রণ আরও বড় আর পেইনফুল হয়ে যায়।
Wellessia Acno Patch আসলে কী ?
Wellessia Acno Patch হলো একটি আল্ট্রা-থিন, ট্রান্সপারেন্ট এবং হাইড্রো-কোলয়েড স্টিকার। এটি মূলত ব্রণের ওপর একটি Second Skin হিসেবে কাজ করে। এটি ব্রণের ভেতরে জমে থাকা বাড়তি সেবাম, পুঁজ এবং ইমপিউরিটিজ শুষে নেয়। এর সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে এটি স্কিনের সাথে এমনভাবে মিশে যায় যে মেকআপ করার পর এটি একদম Invisibl হয়ে থাকে।
কেন Wellessia Acno Patch মেকআপ ব্যাগের Must-Have আইটেম?
১. Physical Barrier হিসেবে কাজ করে
ব্রণ মানেই সেখানে একটা সেনসিটিভ এরিয়া। এই ড্যামেজড স্কিনের ওপর সরাসরি মেকআপের হেভি কেমিক্যাল লাগানো মোটেও সেফ নয়। Wellessia Acno Patch একটি শিল্ড তৈরি করে, যা স্কিনকে মেকআপ থেকে প্রোটেক্ট করে।
২. ফ্ললেস এবং স্মুথ ফিনিশ
পিম্পলের আনইভেন সারফেসের ওপর ফাউন্ডেশন দিলে সেটি কিছুক্ষণ পর ড্রাই হয়ে ফেটে যায়। কিন্তু এই প্যাচ লাগানোর ফলে সারফেসটা একদম স্মুথ হয়ে থাকে। এর ওপর যখন ব্লেন্ড করআ হবে, তখন ফিনিশিংটা হবে একদম প্রফেশনাল Smooth Finish এর মতো।
৩. Active Healing অন দ্য গো
আপনি যখন পার্টি এনজয় করছেন, তখন এই প্যাচ আপনার ব্রণের ভেতর থেকে টক্সিন শুষে নিচ্ছে। মেকআপ তোলার পর আপনি অবাক হয়ে দেখবেন আপনার পিম্পল আগের চেয়ে অনেক বেশি ফ্ল্যাট হয়ে গিয়েছে।
৪. দাগ পড়া রোধ করে
আমাদের একটা বাজে অভ্যাস হলো মেকআপ করার সময় ব্রণ দেখলে সেটা খুঁটানো। এতে হাইপারপিগমেন্টেশন বা স্থায়ী দাগ পড়ে যায়। প্যাচ লাগানো থাকলে আপনার হাত সরাসরি ব্রণে লাগবে না, তাই দাগ পড়ার টেনশনও থাকবে না।
৫. লং-লাস্টিং এবং সোয়েট-প্রুফ
এটি বেশ ভালো রকমের স্টিকি, তাই ঘাম বা অয়েলে উঠে যাওয়ার ভয় নেই। সারাদিন আউটডোরে থাকলেও আপনার লুক থাকবে একদম পারফেক্ট।
মেকআপের নিচে কিভাবে ইউজ করবেন-
- ফেস ক্লিন করাঃ প্রথমে একটি জেন্টল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। প্যাচ লাগানোর আগে ওই জায়গাটি একদম শুকনো হতে হবে। কোনো ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম লাগানো অবস্থায় প্যাচ লাগালে সেটি বেশিক্ষণ টিকবে না।
- প্যাচ লাগানোঃ পিম্পলের সাইজ অনুযায়ী প্যাচটি লাগিয়ে নিন।
- স্কিনকেয়ার রুটিনঃ প্যাচ লাগানো হয়ে গেলে এবার আপনার মুখে ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে প্যাচের ওপর যেন বেশি অয়েলি ক্রিম জমে না থাকে।
- মেকআপ অ্যাপ্লিকেশনঃ এবার প্যাচের ওপর দিয়ে যখন ফাউন্ডেশন বা কনসিলার লাগাবেন। বিউটি ব্লেন্ডার দিয়ে হালকা করে মেকআপ সেট করতে হবে। দেখবেন প্যাচটি স্কিনের সাথে ব্লেন্ড হয়ে যাবে এবং পিম্পলের লালচে ভাব আর দেখা যাবে না।
পোরস এবং একনি স্কিনের জন্য এক্সট্রা টিপস
মেকআপ করার পর অবশ্যই ডাবল ক্লিনজিং করতে হবে। প্রথমে ক্লিনজিং অয়েল বা বাম দিয়ে মেকআপ উঠাতে হবে, তারপর ফেসওয়াশ করতে হবে। এমন মেকআপ প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে যা পোরস ক্লগ করবে না। মেকআপের আগে পিম্পলের ওপর একটু বরফ দিলে ফোলা ভাব অনেকটা কমে যাবে। স্কিনে পিম্পল থাকাটা খুবই নরমাল, এতে কনফিডেন্ট হারানোর কিছুই নেই। Wellessia Acno Patch হলো পিম্পের স্কিনের জন্য পারফ্যাক্ট সলিউশন। যা ব্রণকে ভেতর থেকে ঠিক করবে, আবার দিবে স্মুথ ও ফ্ললেস মেকআপ লুক।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার যেকোনো ধরনের সমস্যায়,আমাদের কনসাল্টেশন ফর্ম বা Skin Analyzer এর মাধ্যমে আপনার স্কিন টাইপ অনুযায়ী সঠিক প্রোডাক্টটি নিতে পারেন।